শুধু ছোট ছেলেমেয়েরা কেন, আজকাল বড়দের খবর পড়ার অভ্যাস কমে যাচ্ছে। কিন্তু এমন অনেক তথ্য আছে, যেগুলো জানা থাকলে আর পাঁচজনের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে থাকা যায়। এর সবটাই কোথাও না কোথাও নিশ্চই আছে। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও এক জায়গায় তথ্যগুলো সাজানো থাকলে, অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।
তবে, তথ্য মানে নিছক কিছু রসকসহীন শব্দের ভান্ডার নয়। ঠিক খবরের আদলেই মোড়া হয়েছে অতিগুরুত্বপূর্ণ জানার বিষয়গুলি। এক্ষেত্রে সাহায্য করেছেন, বিভিন্ন সব বিষয়ের দিকপালরা।

বাংলায় ‘Hearth’ শব্দের আভিধানিক অর্থ পাওয়া দুস্কর। কাছাকাছি মানে, ‘অগ্নিকুন্ড’। একটু উষ্ণতার সন্ধানে; যা সাধারণত শীতের দেশের ঘরের মধ্যে থাকে। আমাদের মতো গরমের দেশে ‘Hearth’ শব্দের ব্যবহার কম। তবে মর্মার্থর সঙ্গে সাযুহ্য রেখে বাংলাভাষা জানা ছেলেমেয়ে, অভিভাবক ও স্কুলগুলোর প্রধানদের ভাবনার সুচিন্তিত প্রয়াস ওয়েব-পত্রিকা – ‘আত্মদীপ’।

আমাদের ভেতর-ঘরের মধ্যে যে আলো, সেটাকে জ্বালানোর প্রয়াসে রয়েছে ‘আত্মদীপ’-এর শপথ। এই ওয়েব-ম্যাগাজিনের ‘স্বাধীনতা’ সংখ্যায় আমাদের জন্মভূমি ও তাঁর স্বাধীনতার ওপর বাছাইকরা সতেরোটি আলাদা আলাদা বিষয়ে মাত্র সাতটি করে ঘটনা-ব্যক্তি-সময়কে অল্পকথায় তুলে ধরা হয়েছে।
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তৈরি এই ম্যাগাজিনে রয়েছে অতিকথন ছাড়া প্রতি লাইনে নিকষ-তথ্য।
‘স্বাধীনতা’ ছাড়াও আমাদের বাংলার কৃষ্টি-সাহিত্য বা গণিত-বিজ্ঞানকেও জায়গা দেওয়া হয়েছে। আরও বৈচিত্র ও আকর্ষণীয় করে তুলতে; রয়েছে ‘সেরা স্কুল’, অন্যান্য ‘স্কুলের খবর’, ‘ওয়াল-ম্যাগাজিন’, পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষা-কেরিয়ার-পড়ার খরচের তথ্য।

চেষ্টা করা হয়েছে, যথাসম্ভব ত্রুটি-মুক্ত রাখার। তবুও ভুল চোখে পড়লে, কমেন্টস-ফিডব্যাক অংশে ছাত্র-ছাত্রীদের কথা ভেবে শুধরে দেবেন।

আর, ‘আত্মদীপ’-এর কোনও সম্পাদক নেই। আপনারা প্রত্যেকেই ‘সম্পাদক’। লেখা তৈরি থেকে ছবি এডিট করা, যদি ভালো হয়ে থাকে, সমস্ত দায়িত্ব-কৃতিত্ব আপনাদের।
সব ভুলের দায় ‘হার্থ ফাউন্ডেশন’-এর।